০৩:০৭ PM, Saturday, ২৪ October ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

রাস্তা-ফুটপাত দখল করলেই মামলা, জব্দ হবে দোকানের মালামাল

Saturday, ২৪ October ২০২৬, ০৩:০৭ PM · Shihab53

রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে অবৈধ দোকান বসালে সরাসরি মামলা করা হবে এবং দোকানের মালামাল জব্দ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, সড়ক ও ফুটপাত দখল করে দোকান বসানোর সুযোগ আর দেওয়া হবে না।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) ডিএসসিসির সাপ্তাহিক ‘ক্লিনিং ডে’ উপলক্ষে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলাকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডে একযোগে কর্মসূচি পালন করা হয়।

আবদুস সালাম বলেন, রাজধানীর যানজট, যত্রতত্র ময়লা ফেলা এবং পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির অন্যতম কারণ অবৈধ হকার ও ভাসমান দোকান। নগরবাসীকে এসব দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মানবিকতার দোহাই দিয়ে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে দোকান বসানোর সুযোগ নেই। ডিএসসিসির নির্ধারিত নিয়মের বাইরে দোকান বসালে মালামাল জব্দের পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউ মার্কেটে আবারও উচ্ছেদ অভিযান

নিউ মার্কেট এলাকার সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আগামী সপ্তাহেই আবারও উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক। কোনো অবস্থাতেই সড়কে হকার বসতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্ব

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই উল্লেখ করে আবদুস সালাম বলেন, কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমতে দেওয়া যাবে না। রাজধানীর পরিবেশ রক্ষা, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও যানজট নিরসনে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি সচেতনতামূলক র‍্যালি ও প্রচারণা অব্যাহত থাকবে।

মালিবাগে নতুন এসটিএস নির্মাণ

মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ের সামনে থেকে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে প্রশাসক বলেন, জনস্বার্থে সিআইডি কর্তৃপক্ষের অনুরোধে স্টেশনটি স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নতুন একটি এসটিএস নির্মাণের কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, চলতি মাসের মধ্যেই নির্মাণকাজ শেষ হবে।

ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতা অভিযানটি সিআইডি কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে শান্তিনগর, কাকরাইল ও নয়াপল্টন হয়ে ফকিরাপুলে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় প্রশাসক বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা বর্জ্য পরিষ্কার এবং অবৈধ দোকান অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

দিনব্যাপী কর্মসূচিতে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধনকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও অংশ নেন। বিভিন্ন ওয়ার্ডে মাইকিং ও সচেতনতামূলক র‍্যালির আয়োজন করা হয়।

আরো পড়ুন